মাদকের সাথে জড়িতদের সহানুভূতি বা রক্ষা করার তদবির চলবে না, এ.কে.এম ফজলুল হক  মিলন 


Din Protidin প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ /
মাদকের সাথে জড়িতদের সহানুভূতি বা রক্ষা করার তদবির চলবে না, এ.কে.এম ফজলুল হক  মিলন 
মো: ইব্রাহিম খন্দকার ,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি  :-
১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় গাজীপুরে  কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কালীগঞ্জ উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জনাব এ.কে.এম ফজলুল হক মিলন, মাননীয় সংসদ সদস্য, গাজীপুর-৫ । আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনাব এ.টি.এম কামরুল ইসলাম। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার(ভূমি),  জনাব জাকিয়া সরওয়ার লিমা , কালিগঞ্জ থানা অফিসার্স ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন, বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র  সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফি হাবিবুল্লাহ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ আহমেদ, কালিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান, তুমলিয়া   ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর বাক্কু,বাহাদুরশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আকন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,  সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সুশীল সমাজের সদস্যবৃন্দ।
প্রধান অতিথি বলেন আজকে এখানে যারা আলোচনা করেছেন সবার আলোচনায় সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে মাদকের ব্যাপারে। এই মাদক এমন পর্যায়ে গিয়েছে ইচ্ছা করলেও পুরাপুরি থামানো যাচ্ছে না। তার কারণ এখানে যারা আছেন তারা আমার চেয়ে ভালো জানেন।এমন পরিবার আছে বাবা মাদকের সাথে জড়িত, মা জড়িত, ছেলে জড়িত, ছেলের বউ জড়িত, মেয়ে জড়িত, মেয়ের জামাই জড়িত, নাতি জড়িত, নাতি জড়িত। অনেক আগে আমি বলেছি মাদকের ব্যাপারে নিরপক্ষ আন্তরিক ভাবে যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন সে ক্ষেত্রে দলমল নির্বিশেষ কোন কিছুর বিচার করার কোন সুযোগ সহানুভূতির কোনো সুযোগ, তাকে রক্ষা করার কোন সুযোগ বা তদবির এটা আমার বা আমাদের কাছে কোনভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। আমার কাছে তো হবেই না আমার দলের কোন লোক যদি পক্ষান্তরে কোনভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে আপনারা সেটা কেউ বিশ্বাসও করবেন না, বিচলিত হবেন না। আমাকে বলবেন সে যেই হোক না কেন আমি সেটা দেখব এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। মাটি কাটার ব্যাপারে অনেকে বলেছেন এখানে অনেকেই আছেন বিদেশে চিকিৎসার জন্য গেছেন বিশ্বাস করবেন আমাদের সাজা আমরা নিজেরা দিন দিন নিতেছি কিন্তু বুঝতে পারছি না। খাদ্যে মজা পান না, চইলা মজা পান না, কাশি আছে, ঠান্ডা আছে, শরীর ম্যাচ ম্যাচ করে, মাথা দুইরা থাকে, হার্ট অ্যাটাক করে সমস্ত মূলের কারণ হচ্ছে প্রকৃতি নেচার। বিদেশীরা মনে করে নেচারে তুমি আঘাত করবা এই অভিশাপ থেকে এর আক্রমণ থেকে তোমার বাঁচার কোন সুযোগ নেই। একটু মাটি একটি বৃক্ষ পারমিশন  ছাড়া আপনি  জবাই করলেও কোন দেশে  তারা কাটবে না কাটতে দিবেও না। এই মাটি কাটায় পশ্চিমে একটি বোন আছে আমার বাড়ির পশ্চিমে গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ আমলে মাটি কেটে একেবারে শেষ করে দিয়েছে। এই জমিতে এখন মাছ ও চাষ করা যায়না, ধানও চাষ করা যায় না। জীবন শেষ করে দিয়েছে। ওইখানে গেলে আমার কান্না আসে। এই মাঠের মধ্যে এত সুন্দর ধান হইত, এত রবিশস্য হইতো, এত সুন্দর পরিবেশ ছিল সব শেষ হয়ে গেছে।এই মাঠ এখন  মাছের জন্যও উপযুক্ত না জমি চাষের জন্যও উপযুক্ত না, শুধু হাহাকার আর হাহাকার করতেছে শত শত হাজার হাজার বিঘা জমি। আমি ৫ ই আগস্টে পর বন্ধ করেছি মানুষ আমার জন্য দোয়া করে। আমি যখনই খবর পেয়েছি ওসি সাহেবকে বলেছি ওসি সাহেব বলেছে পাঠিয়েছিলাম তারা চলে গেছে, আমি বলেছি আবার পাঠান। এভাবে করতে করতে একদিন সারারাত্র সজাগ থেকে ভোর চারটার সময় সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছি  এভাবে ওই মাঠের মাটিকাটা বন্ধ করেছি। এখন সেখানে এক চুল মাটিকাটার কোন সাধ্য নাই। অতএব কালীগঞ্জে কোন জায়গায় পারমিশন ছাড়া মাটি কেটে পরিবেশ নষ্ট করা চলবে না। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারিতে থাকবেন।